মুমিন আহমদ মারুফ, সিলেট জেলা প্রতিনিধি:সিলেটের সাদাপাথর লুটে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। বুধবার (২০ আগস্ট) বিকেলে নগরের বারুতখানা এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করে তাঁরা অভিযোগ সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেন।
এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সূত্র উল্লেখ করে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সাদাপাথর লুট তদন্তে ৪২ জন রাজনৈতিক নেতার নাম পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে বিএনপির এই দুই নেতার নামও রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে কয়েস লোদী বলেন, “আমরা চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি—কোনোভাবেই এই অপকর্মের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না। যারা এ ধরনের মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করেছেন, তাঁদের এটি প্রমাণ করতেই হবে অথবা নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।”
তিনি আরও জানান, এ ধরনের ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক সংবাদের কারণে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছে তাঁদের। এজন্য তাঁরা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতিও নিয়েছেন।
কয়েস লোদী অভিযোগ করে বলেন, “প্রকৃতপক্ষে গত ১৫ বছর ধরে কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় তৎকালীন দখলদার আওয়ামী লীগের যোগসাজশে ও প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদে লুটপাট চলছে। অথচ প্রকৃত তথ্য না দিয়ে বিএনপিকে জড়ানোর চেষ্টা অপসাংবাদিকতার উদাহরণ ছাড়া কিছু নয়।”
এ সময় তাঁরা প্রকাশিত সংবাদ প্রত্যাখ্যান করেন এবং দুদক বা সংবাদমাধ্যমকে তথ্য-প্রমাণসহ প্রকৃত সত্য দেশবাসীর সামনে উপস্থাপনের দাবি জানান।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ রবিউল হাসান
অনলাইন ইনচার্জঃ কবির মাহমুদ
অফিসঃ ফায়েনাজ টাওয়ার, ৮/এ,কালভার্ট রোড,পুরানা পল্টন, ঢাকা