
ছাম্মি আহমেদ আজমীর: জন্মদিন মানেই কেবল কেক কাটা ফুলের শুভেচ্ছা কিংবা আনন্দ-উৎসব নয় কারও জীবনে নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্নও হতে পারে জন্মদিনের সবচেয়ে বড় উপহার। সেই অনন্য বার্তাই আবারও সমাজের সামনে তুলে ধরলেন বগুড়া জেলার কৃতি সন্তান এবি ব্যাংক পিএলসি বগুড়া শাখার এসপিও জোবায়দুল হক রাজু। নিজের ৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে তিনি স্বেচ্ছায় ৮৭তম বারের মতো রক্তদান করে মানবসেবার এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে স্বেচ্ছায় রক্তদান করে অসংখ্য মানুষের জীবন বাঁচাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ায় তিনি অনেকের কাছেই "মানবতার ফেরিওয়ালা" হিসেবে পরিচিত।
রক্তদান শেষে মানবতার ফেরিওয়ালা জোবায়দুল হক রাজু বলেন,মানুষের জন্ম একবারই হয়,কিন্তু একটি রক্তদান একজন মানুষকে নতুন জীবন উপহার দিতে পারে।আমার কাছে জন্মদিনের সবচেয়ে বড় আনন্দ হলো কোনো অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।আমি বিশ্বাস করি পৃথিবীতে মানুষের জন্য করা ভালো কাজই সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাই যতদিন মহান আল্লাহ আমাকে সুস্থ রাখবেন ততদিন মানুষের প্রয়োজনে স্বেচ্ছায় রক্ত দিয়ে যাব। আমি সকল সুস্থ মানুষ বিশেষ করে তরুণদের প্রতি আহ্বান জানাই ভয় নয় ভালোবাসা নিয়ে নিয়মিত রক্তদান করুন। আপনার দেওয়া এক ব্যাগ রক্তই হতে পারে কারও পরিবারের হাসি কারও মায়ের সন্তানকে ফিরে পাওয়ার আনন্দ কিংবা কারও জীবনের নতুন সূচনা।
এবিষয়ে এবি ব্যাংক মুন্সিগঞ্জ ব্রাঞ্চের ম্যানেজার প্রতাপ কুমার সাহা বলেন, জোবায়দুল হক রাজুর এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সমাজে মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা এবং স্বেচ্ছাসেবার চেতনাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে বিশ্বাস করি। তার জন্মদিনকে আত্মকেন্দ্রিক আনন্দের পরিবর্তে মানবসেবার মহৎ উপলক্ষ হিসেবে উদযাপন করার এই দৃষ্টান্ত নিঃসন্দেহে অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে। তিনি আরও বলেন,
সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর এই মহৎ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তাঁর পদবি বা সম্পদে নয় বরং মানবতার জন্য করা নিঃস্বার্থ কাজেই নিহিত। জোবায়দুল হক রাজু সেই সত্যকে নিজের কর্মের মাধ্যমে বারবার প্রমাণ করে চলেছেন। মানবতার এই নিবেদিতপ্রাণ মানুষটির জন্য দোয়া ও ভালোবাসা রইল।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ রবিউল হাসান
অনলাইন ইনচার্জঃ কবির মাহমুদ
অফিসঃ ফায়েনাজ টাওয়ার, ৮/এ,কালভার্ট রোড,পুরানা পল্টন, ঢাকা