
আলমগীর কবীর হৃদয়, স্টাফ রিপোর্টারঃ পাবনার ঈশ্বরদীতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ঈশ্বরদীর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘নোঙর’-এর উদ্যোগে আলোচনা সভা, কবির জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা এবং কবিকণ্ঠে কবিতা পাঠের আয়োজন করা হয়।
নোঙরের অন্যতম সংগঠক কবি নন্দিনী আরজুর সভাপতিত্বে এবং রুহুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া নন্দিনী পাঠচক্রের সভাপতি অধ্যাপক সাজিদুল ইসলাম, উত্তরণ পাবনার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, কবি, গীতিকার, বাচিকশিল্পী ও সাংবাদিক আলমগীর কবীর হৃদয়, মহিয়সী পাবনার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রেহেনা সুলতানা শিল্পী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নোঙরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক হাসানুজ্জামান, অধ্যাপক আব্দুদ দাইন সরকার, ড. জাহিদুল ইসলাম, মাহাবুবুল হক দুদু, সালেক শিবলু, নোঙর সদস্য জাহিদ রিপন, উত্তরণ পাবনার সাধারণ সম্পাদক এটিএম ফজলুল করিম, সাহিত্য সম্পাদক নীলিমা নীল, সহ-সাহিত্য সম্পাদক সোনিয়া খাতুন, মফিজুল ইসলাম, মহিয়সীর শামীমা সীমা, নোঙর সদস্য কবি আতাউর রহমান বাবলু, সিরাজুল ইসলাম, আলমগীর নিউটন, শাহনাজ পারভীন, রোকশানা পারভীন, শফিকুল ইসলাম সবুজ, ওয়াসিম টগর, শাহিন রেজা, তুষার, রমজান আলী প্রমুখ।
আলোচনা পর্বে বক্তারা বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন প্রেম, প্রকৃতি ও মানবতার কবি। তাঁর বহুমাত্রিক প্রতিভা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে। কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধসহ সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তাঁর অসামান্য অবদান বাঙালি জাতির সাংস্কৃতিক ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বক্তারা আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথ কেবল একজন কবি নন; তিনি ছিলেন বাঙালির চিন্তা, চেতনা, মানবিকতা ও নান্দনিকতার এক অনন্য প্রতীক। তাঁর সৃষ্টিকর্ম প্রজন্মের পর প্রজন্ম সাহিত্যপ্রেমী ও সংস্কৃতিমনস্ক মানুষের হৃদয়ে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
আলোচনা শেষে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর কবিতা পাঠ করেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত কবি ও আবৃত্তিশিল্পীরা। শ্রদ্ধা, আলোচনা ও কবিতার মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হয় বাংলা সাহিত্যের এই বিশ্ববরেণ্য কবিকে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ রবিউল হাসান
অনলাইন ইনচার্জঃ কবির মাহমুদ
অফিসঃ ফায়েনাজ টাওয়ার, ৮/এ,কালভার্ট রোড,পুরানা পল্টন, ঢাকা