1. admin@dainikjamunaexpress.com : admin :
শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সিরাজগঞ্জ পৌরসভার কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি হান্নান খান, সম্পাদক আল আমিন সিরাজগঞ্জে সাংবিধানিক ও আইনগত অধিকার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত বেলকুচিতে শিশু সন্তানসহ পৌর মেয়র উপর হামলার এমপির এপিএসসহ ৬০জনের বিরুদ্ধে মামলা কাজিপুরে শিক্ষকের হাতে ধর্ষিত প্রতিবেশী নারী কুষ্টিয়ায় আনসার নিয়োগ ডিউটিতে কোটি টাকার বাণিজ্য সিরাজগঞ্জে কাভার্ডভ্যান ভর্তি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারীকে আটক করেছে র‌্যাব বেলকুচিতে সাংবাদিকের উপর হামলা,মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায় সংবাদ প্রকাশ করলে প্রাণনাশের হুমকি সিরাজগঞ্জে প্রতি নিয়ত মানবতার দৃষ্টি স্থাপন করছেন পুলিশ সদস্য শামীম রেজা বেলকুচিতে পৌর মেয়রের ওপর হামলা শিশু, সংবাদকর্মীসহ আহত ৫ সিরাজগঞ্জে ভিক্টোরিয়া হাইস্কুলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

দেবীগঞ্জে কেঁচো সার উৎপাদন করে স্বাবলম্বী কৃষক রাসেল প্রধান

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মোমিন ইসলাম সরকার (দেবীগঞ্জ) পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় কেঁচো সার (ভার্মি কম্পোস্ট) উৎপাদন করে স্বাবলম্বী কৃষক রাসেল প্রধান(৩৫)। কেঁচো সার উৎপাদনের কেঁচো সার, উৎপাদিত রাসেল প্রধান এখন মাসে আয় করেন প্রায় ৩০-৩২ হাজার টাকা।
সরোজমিনে দেখা যায় :-
সম্প্রতি দেবীগঞ্জ উপজেলায় দেবীডুবা ইউনিয়নের সোনা পোতা গ্রামের কৃষক রাসেল প্রধানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির বাহির আঙ্গিনায় দোচালা পলিথিনের ঘর। ঘরের নিচে সিমেন্টের তৈরি ৩৭টি রিং স্ল্যাব।
রিং স্ল্যাবে গোবর, মিশ্রণ করা হয়। সব রিং স্ল্যাবে ছেড়ে দেয়া হয় কেঁচো। তারপর চটের বস্তা দিয়ে রিং স্ল্যাব ঢেকে রাখা হয়।
কৃষক( উদ্যোক্তা)-০১
কৃষক( উদ্যোক্তা) রাসেলের বলেন প্রথমে রিং ও ঘর নির্মাণসহ মোট খরচ হয় প্রায় ৯ হাজার টাকা। পরে চাহিদা বেরে যাওয়ায় আরো ৫০ হাজার টাকা খরচা করে রিংস্ল্যাব তৈরি করেছি কর ।এক মাসে উৎপাদন হয় ৩ টন কেঁচো সার। প্রতি কেজি সার ১২ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। পাশাপাশি প্রতি কেজি কেঁচো এক হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি করেন তিনি। উদ্যোক্তা রাসেল এখন মাসে আয় ৩০-৩২ হাজার টাকা।
জানা যায়, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রণোদনা হিসেবে পাওয়া ছয়টি রিং এবং বাকি রিংগুলো নির্জ খরচে ও ৩ হাজার কেঁচো দিয়ে কম্পোস্ট সার তৈরি শুরু করেন। এদিকে রাসেলের উৎপাদিত কেঁচো সার স্থানীয় কৃষকদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

স্থানিয় কৃষক ১-২
দেবীডুব ইউনিয়নের সোনাপোতা এলাকার কৃষক মাহাবুব আলম জানান, রাসেল প্রধানের কেঁচো সার ফসলে ব্যবহার করে ভালো ফলন পেয়েছি। পাশাপাশি তার সমন্বিত কৃষি খামার আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছে। তিনি বলেন, আমাদের দেশে যে হারে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের দাম বাড়ছে, তাতে ধানের চাষ করে লাভ হয় না।
সিংক
উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা নাইম মোরেশদ বলেন, ভার্মি কম্পোস্ট সার ফসল উৎপাদনে খুবই উপযোগী একটি সার। এছাড়া বাণিজ্যিকভাবে এ সার উৎপাদন করে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। আমরা কৃষক পর্যায়ে এ সারের ব্যবহার বাড়াতে কাজ করছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
এই নিউজ পোর্টালের কোন ছবি বা তথ্য বিনা অনুমতিতে হস্তান্তর নিষেধ। সর্বস্বত্ত্ব www.jamunaexpress.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews