
মোঃ শফিকুল ইসলাম সোহেল,সাভার প্রতিনিধি :বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো নিরাপদ, ত্রুটিমুক্ত ও বিশ্বমানের সফটওয়্যার তৈরির লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করলো ‘সফটওয়্যার টেস্টিং ক্লাব’। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) রিলেটেড সফটওয়্যার টেস্টিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে এই বিশেষায়িত ক্লাবটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (০৮ এপ্রিল) বিকেলে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মাহবুবুল হক মজুমদার হল রুমে কেক কেটে ক্লাবের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সফটওয়্যার টেস্টিং বোর্ড (BSTB)-এর প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিন ড. মো. ফখরে হোসাইন এবং প্রো-ভিসি ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সামুরাই গিকস-এর সিইও শারমিন খান ঊর্মি।
এছাড়াও সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন, ড. ইমরান মাহমুদ, বিভাগীয় প্রধান, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। আহ্বায়ক, মোঃ সোহাগ আলী, সিনিয়র স্কেল লেকচারার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের আধুনিক টেস্টিং টুলসের ব্যবহার হাতে-কলমে শেখানো এবং ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরির মাধ্যমে এটি একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। দেশি ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে নিয়মিত সেমিনার ও ওয়ার্কশপ আয়োজনের মাধ্যমে ক্লাবের সদস্যদের কোয়ালিটি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই ক্লাবের মাধ্যমে সঠিক প্রশিক্ষণ নিয়ে বাংলাদেশের তরুণরা ইউরোপের সফটওয়্যার টেস্টিং মার্কেটে বড় একটি জায়গা করে নিতে সক্ষম হবে। বিশ্ববাজারে গুণগত মানসম্পন্ন সফটওয়্যারের চাহিদা মেটাতে এই উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে।
ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্লাবটি প্রাথমিকভাবে স্টুডেন্ট কমিউনিটির মাধ্যমে কাজ শুরু করলেও পর্যায়ক্রমে এটি বড় পরিসরে বা মেজর কমিউনিটিতে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। সফটওয়্যার টেস্টিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দেওয়াই এই ক্লাবের মূল উদ্দেশ্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply