1. admin@dainikjamunaexpress.com : admin :
  2. bob_44335a31b693@bobresearchlabs.com : bob_44335a31b693 :
  3. paul54@gmail.com : pauldavis :
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wp_admin_7eac00@local.host : wp_admin_7eac00 :
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে এডিপির অর্থায়নে ৪ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন এমপি ড. মিজানুর রহমান নাসিরনগরে দুই মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে দিলেন অসহায় মা ‎ ঠাকুরগাঁওয়ে বাংলাদেশ-নেপালের যৌথ ফ্রি আই ক্যাম্প উদ্বোধন জুড়ীতে আব্দুল্লাহ আল মামুনের উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু শিবিরে সেবা পেলেন ৯ শতাধিক মানুষ নাসিরনগরের খান্দুরায় হাডুডু খেলাকে কেন্দ্র দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত -১৫ ধুনট চিকাশী আন্ত: ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন রেজাউল করিম বাবলু বেলকুচি পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে ২ জন আটক,৪শ’বোতল স্কাফ সিরাপ জব্দ রাণীনগরে শিশুকে ধ.র্ষ.নে.র অভিযোগে যুবক গ্রেফতার চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহাডাঙ্গা রেল ব্রিজের কাছে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ধর্মপাশায় হাওরে মাছ শিকার করতে গিয়ে এক শিশুর মৃত্যু ধর্মপাশায় শিয়ালের কামড়ে ইমাম শিশুসহ আহত ১৫ গোবিন্দগঞ্জে জুয়ার আসরে পুলিশের অভিযান,৯ জুয়ারী গ্রেফতার কওমী জুটমিল স্কুলে প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও ৫ শতাধিক গাছের চারা বিতরণ জেল ফেরত শিক্ষক, প্রশ্নে শিক্ষা প্রশাসন নাসিরনগরে কৃষি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, জনতার হাতে এক প্রতারক আটক সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সিরাজগঞ্জে প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের বৃক্ষরোপণ ও ৫ শতাধিক চারা বিতরণ জামায়াত নেতার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা বিধবা নারী, গর্ভে থাকা সন্তানকেও হত্যা চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা বিএনপি’র মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪ নং দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদ পার্থী হিসেবে দোয়া ও সহযোগীতা কামনা করেন রাজীব হোসেন
শিরোনাম:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে এডিপির অর্থায়নে ৪ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন এমপি ড. মিজানুর রহমান নাসিরনগরে দুই মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে দিলেন অসহায় মা ‎ ঠাকুরগাঁওয়ে বাংলাদেশ-নেপালের যৌথ ফ্রি আই ক্যাম্প উদ্বোধন জুড়ীতে আব্দুল্লাহ আল মামুনের উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু শিবিরে সেবা পেলেন ৯ শতাধিক মানুষ নাসিরনগরের খান্দুরায় হাডুডু খেলাকে কেন্দ্র দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত -১৫ ধুনট চিকাশী আন্ত: ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন রেজাউল করিম বাবলু বেলকুচি পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে ২ জন আটক,৪শ’বোতল স্কাফ সিরাপ জব্দ রাণীনগরে শিশুকে ধ.র্ষ.নে.র অভিযোগে যুবক গ্রেফতার চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহাডাঙ্গা রেল ব্রিজের কাছে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

বেলকুচি পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

মাসুদ সরকার (বেলকুচি) সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌরসভায় আসন্ন মেয়র নির্বাচনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন দীর্ঘদিনের বিএনপি নেতা, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা, দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততাকে সামনে রেখে এবার মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন তিনি।

বেলকুচি থানার প্রাণকেন্দ্র জিধুরি (চালা) গ্রামের এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল। তাঁর পিতা মরহুম আলহাজ্ব মজিবর রহমান মণ্ডল (নায়েব সাহেব) ছিলেন একজন তহশিলদার। দাদা মরহুম ওছমান গণী মণ্ডল ছিলেন এলাকার একজন সম্মানিত, সৎ ও সমাজহিতৈষী ব্যক্তি। ছয় ভাই-বোনের মধ্যে আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল সবার বড়।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, জিধুরি গ্রামের সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে মণ্ডল পরিবারের দীর্ঘদিনের ভূমিকা রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের উদ্যোগ ও সহযোগিতায় এলাকায় মসজিদ, মাদ্রাসা, রাস্তা, ব্রিজ, ঈদগাহ মাঠসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা গড়ে ওঠে। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রেও পরিবারটির ভূমিকার কথা স্থানীয়ভাবে স্মরণ করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধের সময়ও মণ্ডল পরিবারের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন পরিবারের স্বজন ও স্থানীয়রা। পরিবারের সদস্য মরহুম কমান্ডার বাবর আলী মণ্ডল (গাজী) মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন বলে জানা যায়। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়, খাদ্য ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের মাধ্যমে পরিবারের অন্য সদস্যরাও সহযোগিতা করেছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা:

আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল ১৯৮৪ সালে সোহাগপুর এস কে পাইলট হাই স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। এরপর সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে ভর্তি হয়ে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। ইন্টারমিডিয়েট পাসের পর ১৯৮৬ সালে তিনি জগন্নাথ কলেজে (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হন। পরবর্তীতে জাপানে অবস্থান শেষে দেশে ফিরে ১৯৮৯ সালে বেলকুচি কলেজে ভর্তি হন এবং কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এরপর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৯০ সালে তাঁকে বেলকুচি উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেলকুচি-কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ-৫) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মরহুম শহিদুল্লাহ খানের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা ও জনমত গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়।

১৯৯২ সালে বেলকুচি থানা বিএনপির সম্মেলনে তাঁকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রতিকূলতারও মুখোমুখি হয়েছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠজনেরা জানান।

আন্দোলন-সংগ্রাম ও প্রতিকূলতার মধ্যেও রাজনীতি:

১৯৯৪ সালে তাঁকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা এবং তাঁর গাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে তাঁর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান রজনীগন্ধা সিনেমা হলে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে বলে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যার সময় আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নেন। এ সময় তাঁর ভূমিকা সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে বলে তাঁর অনুসারীরা দাবি করেন।

১৯৯৮ সালে বেলকুচি থানা বিএনপির কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক পদে তাঁর নাম আলোচনায় থাকলেও দলীয় ও প্রবীণ নেতাদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তিনি ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন বলে জানা যায়। পরবর্তীতে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয়তা বিএনপির স্থানীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখে বলে দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি।

২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় ছিলেন। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে জনমত গঠনে ভূমিকা রাখে বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সরাসরি অংশগ্রহণ:

২০০২ সালে ১ নম্বর বেলকুচি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল। ওই নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তাঁর সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। তাঁদের দাবি, ভোটের ব্যবধানে তাঁকে পরাজিত দেখানো হলেও নির্বাচনে অনিয়ম হয়েছিল।

পরবর্তীতে বেলকুচি পৌরসভা প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াতেও তিনি ভূমিকা রাখেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠজনেরা জানান।

২০০৪ সালে তিনি বেলকুচি থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক নেতৃত্বে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও সক্রিয়তা:

ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী সময়ে তিনি ঢাকায় ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে মনোযোগ দেন। পরে ২০০৯ সালে দলীয়ভাবে আবারও তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরার আহ্বান জানানো হয় বলে তাঁর অনুসারীরা জানান।

২০১১ সালে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা:

২০১১ সালে বেলকুচি পৌরসভা নির্বাচনে তিনি বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁর সমর্থকদের দাবি, ওই নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হলেও ভোটের ফলাফলে অনিয়মের মাধ্যমে তাঁকে পরাজিত দেখানো হয়।

২০১৪ সালে তিনি বেলকুচি থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান। এরপর থেকে দলীয় কর্মকাণ্ডে তিনি সক্রিয় রয়েছেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান।

এবার মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা:

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, দলীয় কর্মকাণ্ডে অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততাকে সামনে রেখে এবার বেলকুচি পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল।

তাঁর সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ত্যাগের মূল্যায়ন করে দল তাঁকে মনোনয়ন দিলে তিনি দলকে আরও সুসংগঠিত করার পাশাপাশি পৌর এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখতে পারবেন।

আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডলের অনুসারীরা মনে করেন, বেলকুচি পৌরসভার উন্নয়নে একটি সুসংগঠিত, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাঁদের প্রত্যাশা, দলীয় মনোনয়ন পেলে আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পৌরবাসীর কল্যাণে কাজ করবেন।

তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন কে পাবেন, সেটিই এখন বেলকুচির রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয়। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডলের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক ভূমিকা ও স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর পরিচিতি তাঁকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার পাশাপাশি সাংগঠনিক গ্রহণযোগ্যতা, দলের প্রতি আনুগত্য, তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং নির্বাচনী সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বেলকুচি পৌরসভাটিতে জনসংখ্যা প্রায় ৮৭ হাজার।
২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সিরাজগঞ্জ জেলার যমুনা নদীর তীরঘেঁষে গড়ে ওঠা বেলকুচি পৌরসভা। প্রায় ১৯.৩০ বর্গকিলোমিটার (৭.৪৫ বর্গমাইল) আয়তনের এই পৌরসভা ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত।

বর্তমানে বেলকুচি পৌরসভায় প্রায় ৮৭ হাজার মানুষের বসবাস। প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রায় ৪,৫০৮ জন। যমুনা নদীর পাড়ঘেঁষা এ পৌরসভা তাঁতশিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং জনবসতির কারণে জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নগর এলাকায় পরিণত হয়েছে।

নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পরিকল্পিত নগরায়ণের মাধ্যমে বেলকুচি পৌরসভাকে আরও আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপ দেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
এই নিউজ পোর্টালের কোন ছবি বা তথ্য বিনা অনুমতিতে হস্তান্তর নিষেধ। সর্বস্বত্ত্ব www.jamunaexpress.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews