
উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার খ্যাত সিরাজগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী কাজিপুর উপজেলার নদী বিধৌত নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়ন তথা চরাঞ্চলের মানুষের কাছে সুপরিচিত একটি নাম ‘ রাবেয়া ফাউন্ডেশন ‘।
যমুনা পূর্বপাড়ের মানুষের সামাজিক,সাংস্কৃতিক, প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন এবং হতদরিদ্র মানুষের প্রকৃত কল্যাণ নিশ্চিত করণের লক্ষে রাবেয়া ফাউন্ডেশন নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এটি একটি সামাজিক,সাংস্কৃতিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আমিনুল ইসলাম তাঁর প্রয়াত মায়ের স্মৃতি ধরে রাখতে সংগঠনটি গড়ে তোলেন।
২০১৬ সাল থেকে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় মানবিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে এবং ২০২২ সালে এসে সরকারি নিবন্ধনের জন্য প্রক্রিয়া শুরু হয়।
আনুষ্ঠানিক যাত্রার এই স্বল্প সময়েও অসংখ্য মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম সম্পুর্ন করেছে সংগঠনটি।
অসহায় ও বিধবা নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য সেলাই মেশিন বিতরণ, ছাগল বিতরণ, মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা, মসজিদ মাদ্রাসার উন্নয়নে নিয়মিত মাসিক অনুদান, এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে যুব সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে খেলাধুলার আয়োজন, ঈদ সামগ্রী বিতরণ, শীত বস্ত্র বিতরন, প্রতিবন্ধীদের জন্য হুইলচেয়ার বিতরণ, চিকিৎসা সেবা সহ অসংখ্য মানবিক কাজ ইতোমধ্যে নিয়মিত ভাবে করে আসছে সংগঠনটির সদস্যরা।
নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়ন সহ পাশ্ববর্তী নিশ্চিন্তপুর ও চরগিরিশ ইউনিয়নে বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠন সহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত অর্থ সহযোগিতা করে আসছে রাবেয়া ফাউন্ডেশন। এছাড়াও সংগঠনের কাজ চরের ৬ ইউনিয়নে ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
সমাজের অবহেলিত দরিদ্র মানুষের প্রকৃত কল্যাণ সাধন ও কর্মহীনদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সংগঠনটির প্রধান লক্ষ্য।
সংগঠন সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আমিনুল ইসলাম এর সার্বিক সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা অনুযায়ী সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক হাসান আলী,সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মাহমুদ ও অর্থ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের অক্লান্ত পরিশ্রমে সংগঠনটি পুরা চরাঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের কাছে একটি আস্হা ও ভরসার প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
সমাজের অসহায় মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়া ব্যাপক জনপ্রিয় এই প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে সমাজসেবা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেতে যাচ্ছে, সকল কার্যক্রম শেষে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে অনুমোদন প্রক্রিয়া।
Leave a Reply