
সোহান আহমেদ (ধর্মপাশা,সুনামগঞ্জ) সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোসতানশির বিল্লাহ করোনা ভাইরাস (কোভিড ১৯পজিটিভ) সংক্রমিত হয়েও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও ভর্তি থাকা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও সেখানে ভর্তি থাকা রোগী এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা লোকজন কোভিড ১৯ সংক্রমিত হওয়ার আতঙ্ক বিরাজ করছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে , ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোসতানশির বিল্লাহ গত ২৯ জুন সর্দি ও জ্বরে আক্রান্ত হন। পরে ৩ জুলাই সকালে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করালে তাঁর শরীরের কোভিড ১৯ পজেটিভ ধরা পড়ে। তিনি করোনামুক্ত না হয়েই স্বাস্থ্য বিধি না মেনে ৬ জুলাই সকাল থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন।এমনকি হাসপাতালের নিজ কক্ষে বসে দাপ্তরিক কাজকর্মও চালিয়ে আসছেন। এতে করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.মোসতানশির বিল্লাহ নিজেই করোনায় আক্রান্ত।এ অবস্থায় তাঁর রোগী দেখা ও অফিসে বসে দাপ্তরিক কাজ করার বিষয়টি হটকারিতা ছাড়া আর কিছুই নয়।এতে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে সুদৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোসতানশির বিল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, আমি করোনায় আক্রান্ত হয়েছি এক সপ্তাহ হয়ে গেছে।তাই দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করানোর প্রয়োজন নেই। রোগী দেখিনি,তবে জরুরি কিছু কাজ ছিল যা অফিসে বসে করেছি। তাছাড়া এখন আমি পুরোপুরি সুস্থ।
ধর্মপাশার ইউএনও শীতেষ চন্দ্র সরকার বলেন, আমি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছি। তাছাড়া তিনি একজন চিকিৎসক,তাঁকে তো এ নিয়ে আমি আর পরামর্শ দিতে পারি না।
Leave a Reply