1. admin@dainikjamunaexpress.com : admin :
  2. paul54@gmail.com : pauldavis :
  3. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ধুনটে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক’ দাবি ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে: পেন্টাগন লেবাননে আরও দুই বাংলাদেশি নিহত, একজনের লাশ উদ্ধার, আরেকজন ‘ধ্বংসস্তূপের নিচে’ তারেক রহমান অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন: আসিফ নজরুল ১৬-২৩ দিনের লম্বা ছুটিতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো চূড়ান্ত অনুমোদন পেলো পদ্মা ব্যারেজ এবার ওটিটিতে আসছে ‘দম’ এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন পরিকল্পনা শিক্ষামন্ত্রীর ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক শুরু শ্রমজীবী মানুষের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: মাহদী আমিন ঝিকরগাছায় যুব জামায়াত নেতাকে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে ঝিকরগাছায় দুই জামায়াতের কর্মী জহিরুল ও আল-আমিন এর উপরে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত গোবিন্দগঞ্জে বাসে তল্লাশিতে নারীর কাছে মিললো ফেনসিডিল,আটক দুই রাণীনগরে কোরবানীর গরু কিনতে ‎এসে খোয়া গেল একলাখ টাকা মেয়ের দেনা দেয়া হলোনা দিনমজুর কুদ্দুসের ‎রাণীনগরে গোয়াল ঘরের তালা কেটে ৪টি গরু চুরি দিশেহারা পরিবার ‎ শতাব্দীর প্রার্থনার আলোয় আলোকিত সিরাজগঞ্জের দুইশ’ত বছরের ঐতিহ্যবাহী কালীবাড়ী গোবিন্দ বাড়ী ও ধর্মসভা মন্দির রানীশংকৈলে একাত্তরের বীরাঙ্গনা শ্রী টেপরী রানীর শেষ বিদায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গোপন ছবি ফাঁসের হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি ঝিকরগাছায় প্রেমিকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা রবীন্দ্রচেতনায় নাট্য নিকেতনের ২২ বছর পূর্তি নাট্যোৎসব সফল করতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামীম হোসেনের বিরুদ্ধে

চূড়ান্ত অনুমোদন পেলো পদ্মা ব্যারেজ

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

অবশেষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেলো পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প। প্রকল্পের মোট প্রস্তাবিত ব্যয় ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে বড় উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার।
 
এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে স্বাদু পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একনেক সভায় মোট ১৬টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ১১ নম্বর কার্যতালিকায় রাখা হয়েছিল পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প।

mostbet

এর আগে প্রকল্পটি কয়েক দফা একনেক সভায় উপস্থাপন করা হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় প্রকল্পটি একনেক সভায় উপস্থাপন করা হলেও অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

একনেক সভায় উপস্থিত থাকা একজন কর্মকর্তা বলেন, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে, কমবে লবণাক্ততা, প্রাণ ফিরে পাবে মৃতপ্রায় নদীগুলো—একই সঙ্গে কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশে আসবে ইতিবাচক পরিবর্তন।

শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার ৩৫ থেকে ৪০ হাজার কিউসেক পানি ভাগীরথী-হুগলি নদীতে প্রবাহিত করার জন্য এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত কলকাতা বন্দরের নাব্য উন্নত করার জন্য ১৯৭৫ সালে পশ্চিমবঙ্গে ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণ করে ভারত। ফারাক্কা ব্যারেজের উজানে পানি প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশে পদ্মা নদীর প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমেছে এবং দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাশিয়া, ইছামতি ও বড়াল নদী শুকিয়ে গেছে।

ফারাক্কা ব্যারেজের নেতিবাচক প্রভাব থেকে বাংলাদেশকে বাঁচাতে প্রথম পর্যায়ে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সরকার। এ প্রকল্পটি সার্বিকভাবে বাস্তবায়ন করতে ৫০ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানিয়েছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। পদ্মা বাঁধ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী ব্যবস্থায় স্বাদু পানির প্রবাহ নিশ্চিত করা।

তবে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে ভারতের ফারাক্কা ব্যারেজ সংক্রান্ত ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায়। ১৯৯৬ সালে হওয়া গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সত্তরের দশকে ভারত পশ্চিমবঙ্গে ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণের মাধ্যমে পদ্মা নদী থেকে পানি প্রত্যাহার করার ফলে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশ অংশে পদ্মার স্বাভাবিক প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমেছে। ফলে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী-খালগুলোতে লবণাক্ততার মাত্রা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে, যা কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন, বনায়ন, নৌ-চলাচল, সুপেয় পানির প্রাপ্যতা এবং সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যসহ সামগ্রিক ইকোসিস্টেমের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
এই নিউজ পোর্টালের কোন ছবি বা তথ্য বিনা অনুমতিতে হস্তান্তর নিষেধ। সর্বস্বত্ত্ব www.jamunaexpress.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews