1. admin@dainikjamunaexpress.com : admin :
  2. paul54@gmail.com : pauldavis :
  3. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বেলকুচিতে পুলিশের অভিযানে মজুদকৃত ১ হাজার ৭৪৪ লিটার জ্বালানী তেল সহ অসাধু ব্যবসায়ী আটক ঠাকুরগাঁওয়ে রাতের আঁধারে পেট্রল পাচার: ২০০ লিটারসহ দুইজন আটক, জরিমানা মৌসুমের শুরুতেই বাগুড়ী বাজারে আম জমে উঠেছে গুটি আমের বেচাকেনা রাণীনগরে ২০০পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার রাণীনগরে শতাধীক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ঝিকরগাছায় এম আর টিকাদান ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন স্বাস্থ্যসেবায় গাফিলতি ৪ ক্লিনিককে জরিমানা করলো প্রশাসন আত্রাইয়ে পাচারের সময় ১১২লিটার পেট্রোল জব্দ মৌলভীবাজার জেলা জামায়াতের রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত রাণীনগরে মাদক মামলার আসামী গ্রেফতার ঝিকরগাছায় জামায়াতের রুকন শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত ঝিকরগাছায় ইউএনওর হস্তক্ষেপে পরিবারে ফিরছে ৭ বছরের শিশু মৌলভীবাজারে ছাত্রশিবিরের ২ দিনব্যাপী ‘সাথী শিক্ষাশিবির’ সম্পন্ন ঝিকরগাছায় কালবৈশাখীর তান্ডব: ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি জিয়ার খাল পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ রাণীনগরে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত নাসিরনগরের চাতলপাড়ে নিখোঁজের ৭ ঘণ্টা পর কবরস্থানের পুকুর থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার রাণীনগরে বিজ্ঞান মেলার সমাপণী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু ২০ এপ্রিল, লক্ষ্যমাত্রা ১.৪২ লাখ শিশু ঝিকরগাছায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করতে কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত

মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী সোমবার (১৭ নভেম্বর)। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে মওলানা ভাসানীর জন্ম। সিরাজগঞ্জে জন্ম হলেও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তার জীবনের সিংহভাগই কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। সন্তোষের মাটিতেই তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন।

mostbet

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তার কৈশোর-যৌবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। দীর্ঘদিন তিনি তৎকালীন বাংলা-আসাম প্রদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি ছিলেন। লাইন-প্রথা উচ্ছেদ, জমিদারদের নির্যাতন বিরোধী আন্দোলনে সারাজীবনই তিনি সাধারণ মানুষের কল্যাণে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। তার উদ্যোগে ১৯৫৭ সালে কাগমারীতে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন বাংলাদেশের রাজনীতিতে মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি সর্বদলীয় ওয়ার কাউন্সিলের উপদেষ্টা ছিলেন। স্বাধীনতার পর তার সর্বশেষ কীর্তি ছিল ফারাক্কা লং মার্চ।

১৯১১ সালে মওলানা মোহাম্মদ আলীর সান্নিধ্যে এসে রাজনীতিতে নামেন। ১৯১৭-১৮ সালে তিনি প্রবাসী সরকারের নেতৃত্বে তুরস্কের সাহায্যে ভারতবর্ষ স্বাধীন করার পরিকল্পনা রেশমী রুমাল আন্দোলন করেন এবং ’১৯ সালে কারাবরণ করেন। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের সাহচর্য লাভ করেন, দেশবন্ধুর স্বরাজ আন্দেলনে অংশ নেন। খিলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনে যোগদান করেন।

তিনি ১৯২৫ হতে ১৯২৭ আসামে ও পূর্ব বাংলায় কৃষক-মজুরদের স্বার্থে সংগঠন গড়ে জমিদার ও সুদখোর মহাজনবিরোধী আন্দোলন করেন। ১৯২৮ সালে কলকাতায় খিলাফত সম্মেলন ও ১৯২৯ সালে আসামের ভাসান চরে দ্বিতীয় বারের কৃষক-প্রজা সম্মেলনে যোগদেন।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকার ভাসানী ১৯৩৬ সালে কংগ্রেস ত্যাগ করে মুসলিম লীগে যোগ দেন। আসামের প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সভাপতি হন। ১৯৩৭ সালে আসামে কুখ্যাত লাইন প্রথাবিরোধী আন্দোলন করেন এবং আসাম প্রাদেশিক পরিষদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্য নির্বাচিত হন। সালে ১৯৪৬ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে করেন। ১৯৪৭ সালের ৫ মার্চ আসামে আন্দোলনের ডাক দেন এরপর বাংলাদেশে ফিরে আসেন। ১৯৪৮ সালের ১৭ মার্চ পূর্ব বাংলার ব্যবস্থাপক সভায় বাংলা ভাষার পক্ষ সমর্থনে পাকিস্তানে সাপ্তাহিক ইত্তেফাক প্রকাশ করেন।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা করে সভাপতি হন। ১৯৫৫ সালের ১৫ জুন পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে জনসভা করেন। ১৯৫৭ সালের ৬ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনে পশ্চিম পাকিস্তানের উদ্দেশে বিখ্যাত ‘আসসালামু আলাইকুম’ ঘোষণা করেন। ওই বছরের মার্চ মাসে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধে আওয়ামী লীগ ত্যাগ এবং ২৬ জুলাই ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৬৫ সালে আইয়ুববিরোধী নির্বাচনে ফাতেমা জিন্নাহর পক্ষে অংশগ্রহণ করেন। পাক-ভারত যুদ্ধে দেশপ্রেমিকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। ১৯৬৬ সালে ন্যাপের পক্ষ থেকে ১৪ দফা দাবি উত্থাপন করেন, ১৯৬৮ সালে আইয়ূবের পতনের লক্ষ্যে ১০ দফা ‘দাবি সপ্তাহ’ পালন। ১৯৬৯ সালে আইয়ুব আহূত গোলটেবিল বৈঠক বর্জন। ১৯৭০ সালের জানুয়ারিতে সন্তোষে ঐতিহাসিক কৃষক সম্মেলন, পাকিস্তানের টোবাটেক সিং-এ মার্চে কৃষক সম্মেলন, পাঁচবিবির মহিপুরে এপ্রিলে কৃষক সম্মেলন করেন। ৪ ডিসেম্বর পল্টনের জনসভায় স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘লাকুম দ্বীনুকুম ওয়ালইয়া দ্বীন’।

স্বাধীনতার পর তিনি দীর্ঘদিন গৃহবন্দি ছিলেন। কিন্তু গণমানুষের বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন করেছেন। ১৯৭২ সালে আলোড়ন সৃষ্টিকারী সাপ্তাহিক হক- কথা প্রকাশ করেন। ৯ এপ্রিল ঢাকার পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জনসভায় ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দেন। তিনি আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দেন। দেশব্যাপী দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপটে ১৯৭৪ ভাসানীর দেশব্যাপী ভুখা মিছিল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নাড়া দেয়। ১৯৭৬ সালে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত ফারাক্কা মিছিলের ডাক। ১৬ ও ১৭ মে রাজশাহী হতে কানসাট পর্যন্ত ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চের নেতৃত্ব দেন। ১৭ নভেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।

এদিকে মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সন্তোষে ভাসানীর মাজারে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
এই নিউজ পোর্টালের কোন ছবি বা তথ্য বিনা অনুমতিতে হস্তান্তর নিষেধ। সর্বস্বত্ত্ব www.jamunaexpress.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews