
ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা সদর ইউনিয়নের একটি গ্রামে বুধবার দুপুরে ইউএনওর হস্তক্ষেপে এক কিশোরী (১৫) বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছ,উপজেলার সদর ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা ওই কিশোরী ময়মনসিংহ শহরের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ওই কিশোরীর সঙ্গে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার এক তরুণের (২০) সঙ্গে বুধবার সন্ধ্যায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কনের বাড়িতে চলছিল বরযাত্রী ও অতিথিদের জন্য খাবারের আয়োজন। খবরটি জানতে পেরে বুধবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে ওই কিশোরীর বাড়িতে যান ইউএনও, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীন মোহাম্মদ ও ধর্মপাশা সদর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান জুবায়ের পাশা হিমু। তাঁরা ওই বাড়িতে বাল্যবিবাহ আয়োজনের সত্যতা পান। এসময় তাঁরা বাল্যবিবাহের কুফল ও রাষ্ট্রীয় আইনে বাল্যবিবাহের স্বীকৃতি নেই এমনটি বুঝিয়ে বলার পর কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা বাল্যবিবাহটি বন্ধ করতে সম্মত হন এবং কিশোরীর মা তার মেয়ের বয়স ১৮বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত নিজের মেয়েকে বিয়ে দেবেন না বলে লিখিতভাবে অঙ্গীকার করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায় জানান, বাল্য বিবাহ একটি অপরাধ। ধর্মপাশা থানা পুলিশ, স্থানীয় লোকজন, সাংবাদিকসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষজনদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই কিশোরীর বাল্যবিবাহটি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।বাল্যবিবাহ বন্ধে উপজেলা প্রশাসন সবসময় তৎপরত রয়েছে।
Leave a Reply