
নিজস্ব সংবাদদাতা: যমুনার ধু-ধু বালুচরে বিশাল এলাকা জুড়ে গড়ে উঠেছে গরু-মহিষের বাথান। চরের তৃণভূমিতে খোলা আকাশের নিচে বাধাহীনভাবে একত্রিত হয়ে সবুজ ঘাস খাচ্ছে মহিষগুলো। প্রতি বছরের এই সময়ে সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের দূর্গম চরাঞ্চলে গড়ে ওঠে গরু-মহিষের এই ভ্রাম্যমান বাথান। স্থানীয়দের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী জামালপুর, মানিকগঞ্জ, শেরপুর ও বগুড়া জেলা থেকে আসা পশুর মালিকরা একত্রিত হয়ে গরু-মহিষের এই বাথান গড়ে তোলেন।
প্রতি বছরের মতো এবারো বাথানে স্থান পেয়েছে চারশতাধিক গরু-মহিষ। এই পশুগুলো দেখাশনায় নিয়োজিত আছেন মালিক সহ ১৮ থেকে ২০ জন রাখাল।
বাথানগুলোর এক প্রান্তে আছে যমুনা নদী, যা গরু-মহিষগুলো পালনের প্রয়োজনীয় পানির জোগান সহজ করেছে। আর অন্যদিকে চরের তৃণভূমি থেকে অবাধে সবুজ ঘাস খাওয়ানের সুযোগ থাকায়, স্বল্প বিনিয়োগে চরে গড়ে তোলা বাথানে মহিষ পালন করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন খামার মালিকরা।
প্রতিদিন ভোর থেকে এসব গরু মহিষের দুধ সংগ্রহ করেন রাখালরা। দোহনকৃত দুধ নানা প্রক্রিয়া শেষে ড্রামের করে নৌকা যোগে পাঠানো হয় আশেপাশের বাজার ও বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদকারি কোম্পানিতে। প্রতিদিন এই বাথান থেকে প্রায় ৪০০ লিটার দুধ সংগ্রহ করেন বলে জানান খামারিরা। প্রতি লিটার দুধ বিক্রি হয় ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।
বর্ষা মৌসুমে চরগুলোতে পানি ওঠার আগেই আবারও নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যাবেন এই খামারিরা।
Leave a Reply