
শুরু হলো রহমত, বরকত ও নাজাতের মহিমান্বিত মাস- পবিত্র রমজান। আহলান সাহলান, মাহে রমজান।
বছর ঘুরে আবার আকাশে উঠেছে সিয়ামের চাঁদ। নেমে এসেছে রহমতের স্রোতধারা, করুণার জোয়ার। চারদিকে এক পবিত্র আবহÑ মুমিনের হৃদয়ে প্রশান্তি, আসমান-জমিনে ইবাদতের আমেজ। যেন জান্নাতেও আজ নতুন সাজ, নতুন সমারোহ। আল্লাহর অশেষ দয়া ও অনুগ্রহে সিক্ত বিশ্বজগৎ। স্রষ্টার রহমতের অংশীদার হতে চায় প্রতিটি প্রাণ। আমরাও চাই, এ মাসে নিজেদের জীবন ইমান, তাকওয়া ও নেক আমলের রঙে রাঙাতে।
রমজানের গুরুত্ব সম্পর্কে মহান আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন- ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর; যাতে তোমরা মুত্তাকি হতে পারো।’ সুরা বাকারা: ১৮৩
রোজা কেবল উপবাস নয়; এটি আত্মসংযমের শিক্ষা, আত্মশুদ্ধির সাধনা এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক অনন্য মাধ্যম। হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, কেয়ামতের দিন রোজা বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। রোজা বলবে, ‘হে রব! আমি তাকে খাদ্য ও প্রবৃত্তি থেকে বিরত রেখেছিলাম; অতএব তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ গ্রহণ করুন।’ তখন তার সুপারিশ গ্রহণ করা হবে। -মুসনাদে আহমাদ: ৬৬২৬
আরও বর্ণিত আছে, ‘যখন রমজান আগমন করে, জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শৃঙ্খলিত করা হয়।
সহিহ বুখারি : ৩১০৩
Leave a Reply