
নিজস্ব প্রতিবেদক: সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নিহত আব্দুল বারী এর বাসায় সমবেদনা জানাতে যান সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি সভাপতি ও সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ।
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ১১.৩০টায় সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নে নিহত আব্দুল বারী এর পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানাতে ও পরিবারের খোঁজ খবর নিতে আসেন জেলা বিএনপি সভাপতি রুমানা মাহমুদ।
এসময় রুমানা মাহমুদ বলেন,আব্দুল বারী হত্যার সাথে যারাই জড়িত হোক না কেন তারা কেউ পার পাবেনা,এটা মনে রাখবেন। তাদেরকে অবশ্যই বিচারের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হবে।আজকে আপনাদের চোখের পানি বলেদেয় যে আপনারা কত কষ্টে আছেন। আপনারা এই বারী পরিবারের পাশে থাকবেন এবং ওনারা ভেঙ্গে পড়েছেন ওনার একমাত্র ছেলে আছেন ওনার দিকেও খেয়াল রাখবেন।এই হত্যার সাথে যারা জড়িত তারা কোন ভাবেই পার পাবেনা। তিনি আরো বলেন,এ বিষয়ে জেলা বিএনপি কঠোর রয়েছে।
এসময় উপস্থিত থেকে আরও বক্তব্য রাখেন,জেলা বিএনপি যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নুর কায়েম সবুজ,যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মোস্তফা নোমান আলাল,সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এস.এম.নাজমুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃজাহিদুর রহমান তারেক,বহুলী ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি এস এম রেজাউর রহমান ফিরোজ,সাধারণ মোঃ হায়দার আলী,৯ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মোঃ আমিনুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইয়ামিন,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলআমীন হোসেন সহ প্রমুখ।
এছাড়াও বহুলী ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীসহ অত্র এলাকার হাজার হাজার নারী পুরুষ আসামিদের ফাঁসির দাবি জানান।
উল্লেখ্য: সিরাজগঞ্জ সদরে আব্দুল বারী সেখ (৬৫) নামের ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ রাত ৭টার দিকে উপজেলার বহুলী বাজার এলাকায় এ হত্যার ঘটনা ঘটে। আব্দুল বারী সেখ বহুলী গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়,সম্প্রতি আব্দুল বারী সেখের কয়েকটি দাগের জমি জোরপূর্বক দখলে নিয়েছে একই গ্রামের এক ব্যক্তি। এ নিয়ে তাদের উভয়ের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই এক পর্যায়ে রাত ৭টার দিকে বহুলী বাজার দিকে যাওয়ার পথে বারী সেখের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করে রক্তাক্ত করা হয়। এরপর আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান। নিহতের ছেলে জাকির হোসেন বাদী হয়ে ১৭ জন নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতসহ একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এখন পর্যন্ত হত্যার ঘটনায় জড়িত এজহারভুক্ত ও অজ্ঞাতসহ মোট সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা বর্তমানে জেলা কারাগারে রয়েছে।
Leave a Reply