
মোঃ সাইফুল ইসলাম, নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা সদর সহ বিভিন্ন মফস্বল ও গ্রামীণ এলাকায় টিকটকের কন্টেন্ট এবং ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণের মধ্যে সামাজিক অবক্ষয় ও শালীনতা ভঙ্গের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে অনভিপ্রেত ভিডিও ধারণ ও মন্তব্যের জের ধরে স্থানীয় পর্যায়ে ভুল বোঝাবুঝি ও বিশৃঙ্খলার ঘটনাও ঘটেছে।
টিকটকারদের আড্ডা ও কুরুচিপূর্ণ কনটেন্ট তৈরির প্রবণতা স্থানীয় পর্যায়ে উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান, গ্রামীণ পরিবেশ কিংবা জনবহুল এলাকায় কিশোর ও যুবকদের একটি অংশ অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও শব্দ চয়ন করে ভিডিও তৈরি করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে, যা স্থানীয় সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
কম বয়সী একদল বিপদগামী ছেলে-মেয়েরা সহজে ভাইরাল হওয়ার নেশায় পড়াশোনা বাদ দিয়ে এসব কাজে জড়িয়ে পড়ছে।
ভিডিওগুলোতে ব্যবহৃত ভাষা ও অঙ্গভঙ্গি গ্রামীণ শালীনতা ইসলামি ও দেশীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী।
সস্তা মোবাইল ডাটা এবং টিকটক বা অন্যান্য শর্ট ভিডিও প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার এর মূল কারণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় সমাজপ্রধান ও অভিভাবকরা সম্মিলিতভাবে তরুণদের সঠিক নির্দেশনা দিলে এ ধরণের প্রবণতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন অনেকই।
অভিভাবক ও মুরুব্বিদের নিজ সন্তানদের মোবাইল ব্যবহার ও অনলাইন কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণে ব্যার্থতায় বিপদগামী হচ্ছে তরুণ তরুণীরা। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে আলোচনা সমালোচনার জন্ম দিচ্ছে।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, যুব সমাজ এবং মুরুব্বিদের নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা ও পদক্ষেপ গ্রহণ ও নজরদারি না করার কারণে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে টিকটকারদের অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা।
কিশোর গ্যাং ও অশ্লীল কনটেন্ট তৈরিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপে ফিরে আসতে পারে এ-সব অসামাজিক কার্যকলাপ।
Leave a Reply